৪০ দিনে ১ কেজি মুরগি ! প্রবাস ফেরত রবিনের সাফল্যের গল্প

এই ভিডিওতে প্রবাস ফেরত রবিন নামের একজন সফল খামারির অভিজ্ঞতা এবং তার পোল্ট্রি খামারের সাফল্যের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। নিচে তার বক্তব্যের মূল বিষয়গুলো দেওয়া হলো:
​কালার বাট কিং মুরগি:
​এই মুরগি মূলত মাংসের জন্য পালন করা হয়। এর বিশেষত্ব হলো এটি মাত্র ৩৫ থেকে ৪০ দিনে ১ কেজি বা তার বেশি ওজনের হয়ে যায় [00:00]।
​বাজারে এর চাহিদা অনেক ভালো এবং এটি দ্রুত বর্ধনশীল [00:07]।
​খামারের শুরু ও বিনিয়োগ:
​রবিন বিদেশে থাকাকালীনই দেশে এসে খামার করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তিনি ২ লক্ষ ৫ হাজার টাকা প্রাথমিক পুঁজি নিয়ে শুরু করেন [00:38]।
​প্রথমে মাত্র ১০০টি মুরগি দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে তার খামারে ৫০০-র বেশি মুরগি রয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় দেড় লক্ষ টাকার উপরে [00:22]।
​ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যা:
​খামারে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা থাকতে হবে এবং লিটার (মুরগির বিছানা) সবসময় শুকনো রাখতে হবে [01:04]।
​জিরো থেকে ৫ দিনের মধ্যে রানীক্ষেত এবং ১০ ও ২০ দিনে গাম্বুরো ভ্যাকসিন দিতে হবে। ৩০ দিনে আবার রানীক্ষেত ভ্যাকসিন দিতে হয় [01:26]।
​ভাইরাস আক্রমণ করলে মুরগি গলা টানে, হাঁচি দেয় বা চোয়াল ফুলে যায়—এগুলো দেখে রোগ শনাক্ত করতে হবে [01:34]।
​আয় ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:
​বর্তমানে তিনি ৪ দিন অন্তর প্রায় ১০-১২ হাজার টাকার মুরগি বিক্রি করছেন [02:44]।
​ভবিষ্যতে তার খামারটিকে ১,০০০ থেকে ২,০০০ মুরগির খামারে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে [02:35]।
​নতুনদের জন্য পরামর্শ:
​রবিন পরামর্শ দেন যে, শুরুতেই বড় বিনিয়োগ না করে ছোট পরিসরে (৫০ বা ১০০টি মুরগি দিয়ে) শুরু করা উচিত [02:53]।
​খামার করার আগে বাজার যাচাই করা এবং উন্নত মানের (এ গ্রেড) বাচ্চা নির্বাচন করা খুবই জরুরি [02:21]।
​ভিডিওর লিঙ্ক: https://youtu.be/CMGV782e5R0?si=fuAwo3sU-Lnr3xuu