কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর
বাগেরহাটে হজরত খানজাহান (রহ.)-এর মাজার সংলগ্ন দিঘিতে কুমিরের মুখে একটি কুকুরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত অনেকেই ভিডিও ধারণে ব্যস্ত থাকলেও অসহায় প্রাণীটিকে রক্ষায় কেউ এগিয়ে না আসায় মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সংযোগ ডেস্ক :
বাগেরহাটে হজরত খানজাহান (রহ.)-এর মাজার সংলগ্ন দিঘিতে কুমিরের মুখে একটি কুকুরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত অনেকেই ভিডিও ধারণে ব্যস্ত থাকলেও অসহায় প্রাণীটিকে রক্ষায় কেউ এগিয়ে না আসায় মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বাগেরহাটে হজরত খানজাহান (রহ.)-এর মাজার সংলগ্ন দিঘিতে কুমিরের মুখে একটি কুকুরের মর্মান্তিক মৃত্যুর বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের শাস্তিরকথা জানালেন প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী।
বিষয়টি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বাগেরহাটের ঘটনাটি তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। শুধু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নয়, একজন মানুষ হিসেবেও তিনি মর্মাহত। বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ দেশকে মানুষ এবং সকল প্রাণের বসবাসের অভয়ারণ্য হিসাবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।
সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি বলেন, এই অমানবিক ঘটনার সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তিকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
এদিকে প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনার পর বাগেরহাট জেলা প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিয়া খাতুনকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম. শরীফ খান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. পলাশ কুমার দাস এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহামুদ-উল-হাসান।



