বারবার লোকসান, শেষে সফলতা!
এই ভিডিওতে একজন পোল্ট্রি খামারি তার ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা, বারবার লোকসান এবং অবশেষে সফলতার গল্প শুনিয়েছেন। নিচে তার বক্তব্যের মূল বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো:
শুরুর অভিজ্ঞতা ও ব্যর্থতা:
তিনি যখন প্রথম হ্যাচারি শুরু করেন, তখন পর্যাপ্ত ধারণা না থাকায় ভুলবশত বাচ্চাগুলো নষ্ট হয়ে যায় (প্রায় ১০০০ বাচ্চা) [00:00]।
একবার গামবোরো রোগের কারণে তার ৪৫০-৫০০ মুরগি মারা যায়, যার ফলে তাকে দীর্ঘ চার-পাঁচ মাস খামার বন্ধ রাখতে হয় ভাইরাস দূর করার জন্য [00:11]।
তার একটি বড় ব্যর্থতা ছিল লেয়ার মুরগির ক্ষেত্রে, যেখানে প্রায় ২০০০ মুরগি একসাথে অসুস্থ হয়ে মারা যায় [02:45]।
খামারের ধরন ও বর্তমান অবস্থা:
তিনি মূলত ফাউমি, দেশি এবং কোয়েল পাখি পালন করেন [00:40]।
তার খামারটি গাইবান্ধায় অবস্থিত এবং বর্তমানে তিনি নিজস্ব ইনকিউবেটরের মাধ্যমে বাচ্চা ফুটিয়ে বিক্রি করেন [05:00]।
সব খরচ বাদ দিয়ে বর্তমানে তার মাসে ২০-২৫ হাজার টাকা লাভ থাকে [02:16]।
পরামর্শ ও শিক্ষা:
হতাশ না হওয়া: ব্যবসায় লস হতে পারে, কিন্তু ভেঙে পড়া যাবে না [02:34]।
সতর্কতা: কোনো মুরগি অসুস্থ দেখলে সাথে সাথে তাকে আলাদা করে ফেলতে হবে, অন্যথায় পুরো খামার আক্রান্ত হতে পারে [02:51]।
খাদ্য খরচ কমানো: খাবারের দাম (ফিড) অনেক বেশি, তাই সফল হওয়ার জন্য মুরগিকে প্রাকৃতিক খাবার যেমন কলমি শাক, মুলা শাক, পেঁপে পাতা বা নিম পাতা খাওয়ানো যেতে পারে [02:06]।
প্রশিক্ষণ: না জেনে বড় পরিসরে শুরু না করে অল্প কিছু মুরগি দিয়ে হাতে-কলমে শিক্ষা নেওয়া বা সরকারি পশু হাসপাতাল থেকে ট্রেনিং নেওয়া উচিত [03:43]।
বাজার ও পণ্য:
তিনি বীজ ডিম, খাবার ডিম, একদিনের বাচ্চা বা বুডিং করা মুরগি বিক্রি করেন [05:06]।
একটি দেশি/ফাউমি ডিম বর্তমানে ১০-১২ টাকা দরে বিক্রি করা যায় [04:49]।
ভিডিওর শেষে তিনি তার সাথে যোগাযোগের জন্য ফোন নম্বর দিয়েছেন: 01676259451 [05:21]।
ভিডিওর লিঙ্ক: https://youtu.be/gpRjolkHPSw?si=lcm0p6uiZ5VGm9Ew



