১৫০ টাকায় সোনার ভরি থেকে ৮০ বছরের স্বর্ণ ভবন
ব্যবসা
নিজস্ব প্রতিবেদক: যে সময়ে এক ভরি সোনা মিলত মাত্র ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়, সেই সোনালী অতীত থেকে শুরু করে বর্তমান আধুনিক যুগ পর্যন্ত টিকে রয়েছে একটি ঐতিহ্যবাহী স্বর্ণের দোকান। প্রায় ৮-৮৫ বছরের প্রাচীন এই প্রতিষ্ঠানটি তিন পুরুষ ধরে সততা ও আস্থার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।
ইতিহাসের নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে স্বর্ণ ব্যবসায় এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। একসময় যেখানে নিখাদ হাতে ‘পান’ দিয়ে সোনা ঝালাই করা হতো, সেখানে আজ জায়গা করে নিয়েছে আধুনিক তার তোলার মেশিন, পাত মেশিন ও পলিশ মেশিন। ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের পাশাপাশি সনাতন পদ্ধতির এই রূপান্তর স্বর্ণশিল্পকে আরও নিখুঁত করেছে। তবে বর্তমান বাজারে সোনার অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির কারণে ব্যবসা পরিচালনা করা বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানান কারিগররা। বাজারের মন্দা ভাব সত্ত্বেও দীর্ঘদিনের সুনাম, কাস্টমারদের নিখুঁত সেবা এবং বিশ্বস্ততাই এই প্রাচীন প্রতিষ্ঠানটিকে আজও টিকিয়ে রেখেছে।
বংশপরম্পরায় বয়ে চলা এই স্বর্ণশিল্প কেবল একটি ব্যবসা নয়, এটি গাইবান্ধার এক দীর্ঘ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের জীবন্ত দলিল। শত প্রতিকূলতার মাঝেও সততা আর পরিশ্রমকে পুঁজি করে এগিয়ে চলা এই স্বর্ণশিল্পীদের গল্প নতুন প্রজন্মের জন্য এক অনন্য অনুপ্রেরণা।