ব্রয়লার লেয়ারে সর্বস্বান্ত, হাঁস পালনে ভাগ্য বদল!
এই ভিডিওতে একজন খামারির ব্রয়লার ও লেয়ার মুরগি পালনে লোকসান করে হাঁস পালনের মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প তুলে ধরা হয়েছে। নিচে ভিডিওর মূল বিষয়গুলো দেওয়া হলো:
শুরু ও ব্যর্থতা:
খামারি আগে অটো চালাতেন, পরবর্তীতে তা বিক্রি করে ব্রয়লার ও লেয়ার মুরগির খামার শুরু করেন। কিন্তু মুরগি পালনে আশানুরূপ ফল পাননি এবং প্রায় ৩ লক্ষ টাকা লোকসান করেন [00:43]।
লোকসানের কারণে তাকে জমি বন্ধক রেখে দেনা শোধ করতে হয়েছিল [01:02]।
হাঁস পালনে আসার কারণ:
তিনি লক্ষ্য করেন যে মুরগির তুলনায় হাঁসের ডিমের দাম এবং চাহিদা বেশি। একটি হাঁসের ডিমের দাম মুরগির ডিমের চেয়ে ৪-৬ টাকা বেশি থাকে [01:07]।
হাঁসের রোগবালাই অনেক কম (প্রধানত ডাক প্লেগ ও কলেরা ছাড়া বড় কোনো রোগ নেই) এবং পরিশ্রমও মুরগির চেয়ে অনেক কম [01:26]।
হাঁস পালনে ঘর তৈরিতেও খুব বেশি খরচ বা ঝুঁকির প্রয়োজন হয় না [01:32]।
খাদ্য ও ডিম উৎপাদন:
তিনি ৩৫০টি হাঁস দিয়ে শুরু করেছিলেন। বর্তমানে তার হাঁসগুলো ৬ মাস বয়স থেকে নিয়মিত ডিম দিচ্ছে এবং ডিমের উৎপাদন হার প্রায় ৮০% [03:02]।
হাঁসকে দিনে তিনবার খাবার দেন (সকাল, দুপুর, রাত)। খাবারের মূল উপাদান হিসেবে তিনি গম ব্যবহার করেন, যা হাঁসের হজমে সাহায্য করে [02:17]।
তিনি সতর্ক করেছেন যে, বাজারের দাম কম থাকলেও হাঁসের খাবার কোনোভাবেই কমানো যাবে না, কারণ বডি ওয়েট কমে গেলে পরবর্তীতে ডিম পাওয়া যায় না [02:40]।
আয় ও মুনাফা:
প্রতিদিন তার প্রায় ৩,৫০০ থেকে ৪,০০০ টাকার ডিম বিক্রি হয়। এর মধ্যে খাদ্য ও ওষুধ খরচ বাবদ প্রায় ২,৫০০ টাকা ব্যয় হয় [03:25]।
সব খরচ বাদ দিয়ে তার মাসিক নিট আয় বর্তমানে ৩৫,০০০ থেকে ৪০,০০০ টাকা [03:43]।
একটি প্রাপ্তবয়স্ক হাঁস বিক্রি করলে বর্তমানে ৬০০-৬৫০ টাকা পাওয়া যায় [00:31]।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:
যদি ফলাফল এভাবেই ভালো থাকে, তবে তিনি ভবিষ্যতে হাঁসের সংখ্যা এবং পুকুরের আয়তন আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন [03:49]।
ভিডিওর লিঙ্ক: https://youtu.be/IYV7pa6dJIA?si=csMmTfZdHn2RUUNn



