শরীরে ফোঁড়া, চাকরি গেল! ককশিটেই ভাগ্য বদল!
এই ভিডিওতে গাইবান্ধার ককশিট শিল্পী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের জীবন সংগ্রাম এবং সাফল্যের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। নিচে ভিডিওর মূল বিষয়গুলো দেওয়া হলো:
শুরু ও জীবন সংগ্রাম:
আনোয়ার হোসেন অভাবের কারণে নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে ঢাকা চলে যান। সেখানে মুদি দোকানে কাজ এবং পরবর্তীতে নেভি কোম্পানিতে ড্রাইভিংয়ের কাজ শুরু করেন [00:43]।
পায়ে বিষফোঁড়া হওয়ার কারণে তিনি ১৫ দিন ডিউটিতে যেতে পারেননি, ফলে তার ড্রাইভিংয়ের চাকরিটি চলে যায় [01:32]।
চাকরি হারানোর পর তিনি ঢাকার শাহবাগের একটি ফুলের দোকানে (সানফ্লাওয়ার) কাজ শুরু করেন এবং সেখানে ককশিট বা সোলার কাজের সাথে পরিচিত হন [01:55]।
কাজের ধরন:
তিনি ককশিট দিয়ে গায়ে হলুদের স্টেজ, ব্যানার, মন্দির বা পূজা মণ্ডপের ব্যাকগ্রাউন্ড, জন্মদিন এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সাজসজ্জার কাজ করেন [00:12]।
বিজয় দিবসের শ্রদ্ধাঞ্জলি রিং, বর্ণমালা, লোগো এবং পহেলা বৈশাখের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক নকশা তৈরিতেও তিনি পারদর্শী [02:30]।
তিনি কোনো ড্রয়িং বা মার্কার ছাড়াই সরাসরি এন্টিকাটার দিয়ে ককশিটে নিখুঁত আল্পনা বা নকশা খোদাই করতে পারেন [03:11]।
আয় ও ভবিষ্যৎ:
গাইবান্ধায় গত ৩ বছর ধরে তিনি এই ব্যবসা করছেন। তার মাসিক আয় গড়ে ১৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত হয় [04:02]।
তিনি নতুন নতুন ডিজাইন শেখার জন্য ইউটিউবের সাহায্য নেন এবং কাস্টমারের পছন্দ অনুযায়ী সাশ্রয়ী মূল্যে কাজ করে দেন [03:30]।
যোগাযোগ ও ঠিকানা:
তার দোকানটি গাইবান্ধার আসাদুজ্জামান মার্কেটে (১ নম্বর ট্রাফিক মোড়) অবস্থিত। এই মার্কেটের নিচে ফুলের দোকানগুলোর সারিতেই তার কাজের জায়গা [04:20]।
ভিডিওর লিঙ্ক: https://youtu.be/DoRjMSXZlrg?si=k41oOq-5_YqbOY1r



