৫ হাজার টাকা থেকে স্বপ্নের সাম্রাজ্য! পুঁতিতে বদলে গেল শত নারীর জীবন
এই ভিডিওতে গাইবান্ধার প্রিয়াঙ্কা হস্তশিল্পের উদ্যোক্তা মুক্তি রানীর সফলতার গল্প তুলে ধরা হয়েছে, যিনি মাত্র ৫,০০০ টাকা পুঁজি নিয়ে পুঁতির কাজের মাধ্যমে নিজের ভাগ্য বদলেছেন। নিচে ভিডিওর মূল বিষয়গুলো দেওয়া হলো:
শুরু ও সংগ্রাম:
মুক্তি রানী গত ১০ বছর ধরে পুঁতির কাজ করছেন। শুরুতে তিনি তার পাশের এক অভিজ্ঞ ভাবীর কাছ থেকে কিছুটা কাজ শেখেন এবং পরবর্তীতে ইউটিউব দেখে নতুন নতুন ডিজাইন তৈরি করতে শেখেন [00:29]।
একসময় তাকে রাত জেগে কাজ করতে হতো কারণ দিনে ঘরকন্না, সন্তানদের দেখাশোনা এবং ফুটপাতে স্বামীর দোকানে সময় দিতে হতো [02:28]।
পণ্যের বিবরণ ও দাম:
তিনি পুঁতি দিয়ে শো-পিস, ফুল-ফলের ডালা, টিস্যু বক্স, কলমদানি, বিড়াল এবং বাচ্চাদের খেলার পুতুল তৈরি করেন [00:09]।
যেমন, একটি আঙ্গুর ফল তৈরি করতে তার খরচ পড়ে প্রায় ২২০ টাকা এবং তিনি এটি ২৫০-৩০০ টাকায় বিক্রি করেন [04:12]।
একটি আপেল তৈরি করতে ২০-২৫ মিনিট সময় লাগে, আর একটি ফলের ঝুড়ি তৈরি করতে ৫-৬ ঘণ্টা সময় লাগে [01:34]।
ব্যবসায়িক প্রসার ও কাঁচামাল:
তিনি ঢাকার চকবাজার থেকে পাইকারি দরে পুঁতি সংগ্রহ করেন। গাইবান্ধায় যে পুঁতি ১,০০০ টাকা কেজি, ঢাকা থেকে তিনি তা ৭৫০ টাকা কেজি দরে নিয়ে আসেন [02:08]।
তার তৈরি পণ্যগুলো স্থানীয় স্কুল, সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং জেলা কারাগারের কর্মকর্তাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। এমনকি তার তৈরি পণ্য সিঙ্গাপুর ও আমেরিকাতেও গিয়েছে [06:02]।
প্রশিক্ষণ ও সমাজসেবা:
তিনি বর্তমানে একজন প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। তিনি অসহায় ও দরিদ্র মহিলাদের বাসায় প্রশিক্ষণ দেন [01:05]।
এছাড়াও গাইবান্ধা জেলা কারাগারের ২০-২৫ জন নারী আসামিকে তিনি নিয়মিত এই কাজের প্রশিক্ষণ দেন এবং তাদের মাধ্যমে পণ্য তৈরি করিয়ে নেন [01:16]। আসামিরা একটি বিড়াল বানিয়ে দিলে ১০ টাকা এবং আঙ্গুরের থোপা বানালে ২০ টাকা পারিশ্রমিক পান [05:00]।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:
মুক্তি রানী স্বপ্ন দেখেন একটি বড় শোরুম দেওয়ার এবং আরও অনেক অসহায় নারীকে সাথে নিয়ে কাজ করার [03:34]।
তার একটি অনলাইন পেজ এবং হস্তশিল্পের কার্ড রয়েছে যার মাধ্যমে তিনি অর্ডার গ্রহণ করেন [06:10]।
ভিডিওর লিঙ্ক: https://youtu.be/ga9qu23-0wI?si=9nn6UquV9v_3L0MH



