ব্যাংক কেটে ৫ হাজার! পড়াশোনার ফাঁকে মোবাইল নয়, ব্যবসা
এই ভিডিওতে গাইবান্ধার একজন তরুণী শিক্ষার্থী মেহজাবিন মুমু-র উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প তুলে ধরা হয়েছে। নিচে ভিডিওর মূল বিষয়গুলো দেওয়া হলো:
শুরু ও মূলধন:
মুমু তার মা ও বোনের দেওয়া জমানো টাকা খরচ না করে মাটির ব্যাংকে জমিয়ে রাখতেন [00:00]।
এসএসসি পরীক্ষার পর অবসর সময়ে কিছু করার ইচ্ছা থেকে জমানো ৫,০০০ টাকা দিয়ে তিনি কাঁচামাল কেনেন এবং ব্যবসা শুরু করেন [02:28]।
তার প্রথম অর্ডারটি ছিল ঢাকা থেকে ৩০০ টাকার একটি অর্ডার, যা তিনি পরিচিত মানুষের মাধ্যমে পাঠিয়েছিলেন [00:20]।
পণ্যের বিবরণ ও দাম:
তিনি মূলত ফ্যাব্রিক (কাপড়), কুন্দন, মিরর (আয়না) এবং কড়ি ব্যবহার করে হাতে তৈরি জুয়েলারি ও চুরি কাস্টমাইজ করেন [01:12]।
চুরির বেইস হিসেবে তিনি প্লাস্টিক ব্যবহার করেন এবং তাতে ফ্যাব্রিক গ্লু ও সুতার কাজ করেন [02:12]।
চুরির দাম শুরু হয় জোড়া প্রতি ১০০ টাকা থেকে এবং কাজের ধরন অনুযায়ী ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে [01:58]।
সাফল্য ও অনুপ্রেরণা:
নিজের উপার্জনের টাকা দিয়ে তিনি প্রথম একটি জামদানি শাড়ি কিনেছেন এবং তার মাকে একটি রুপার আংটি উপহার দিয়েছেন [00:43]।
তার মতে, ছোটবেলা থেকে ব্যবসা বা কোনো স্কিল শিখে রাখা ভালো, এতে অভিজ্ঞতা বাড়ে এবং পরবর্তীতে বড় কোনো কাজ করতে সুবিধা হয় [03:38]।
এখন পর্যন্ত তার সবথেকে বড় অর্ডার ছিল একজনের কাছ থেকে প্রায় ৫০-৬০ পিস চুরি [04:14]।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:
তিনি তার এই ব্যবসাকে আরও বড় করতে চান এবং ভবিষ্যতে নিজস্ব ক্লোদিং ব্র্যান্ড (শাড়ি ও জামা) চালু করার স্বপ্ন দেখেন [03:18]।
যোগাযোগ:
তার অনলাইন পেজের নাম 'কৃষ্ণকলি' (Krishnokoli), যেখানে মেসেজ দিয়ে অথবা কোনো নির্দিষ্ট ডিজাইন দেখিয়ে পছন্দমতো জুয়েলারি অর্ডার করা যাবে [04:47]।
ভিডিওর লিঙ্ক: https://youtu.be/SDBBDVm4dpA?si=09US8XUk2SwNIa6V



