বাবার শেখানো কৌশলে সফল মৎস্য হ্যাচারি
কৃষি
নিজস্ব প্রতিবেদক: মৎস্য খাতের উন্নয়নে প্রজনন ও রেণু উৎপাদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। সনাতন পদ্ধতির বাইরে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক উপায়ে পিজি (PG) হরমোন ব্যবহার করে সুস্থ ও সবল মাছের পোনা উৎপাদন করে উত্তর জনপদে সফলতার এক অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন এক তরুণ উদ্যোক্তা। বাবার দীর্ঘ ৩০-৪০ বছরের অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে গড়ে ওঠা এই হ্যাচারি আজ আশপাশের বহু জেলার মৎস্যচাষিদের আস্থার ঠিকানায় পরিণত হয়েছে।
উদ্যোক্তারা জানান, মাছের সঠিক বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রজনন মৌসুমে মা ও বাবা মাছকে নির্দিষ্ট মাত্রায় পিজি হরমোন পুশ করা হয়। নিখুঁত নিয়মে ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে ডোজ সম্পন্ন করে মাছ থেকে ডিম সংগ্রহ করা হয় এবং তা হাচিং বোতলে রেখে মাত্র ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মানসম্মত রেণু বা পোনা তৈরি করা হয়। রুই, কাতল, মৃগেল, সিলভার কার্প ও সরপুটির পাশাপাশি এখানে আধুনিক পদ্ধতিতে মনোসেক্স তেলাপিয়ার রেণুর উৎপাদনও করা হচ্ছে। উৎপাদিত এসব রেণুর গুণগত মান অত্যন্ত ভালো হওয়ায় বগুড়া, জয়পুরহাট, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর ও লালমনিরহাটসহ বিভিন্ন অঞ্চলের খামারিরা এখান থেকে নিয়মিত পোনা সংগ্রহ করছেন।
প্রাথমিক মূলধন বিনিয়োগ করে শুরু করা এই পারিবারিক উদ্যোগে সঠিক পরিচর্যা ও সততার কারণে আজ দেশজুড়ে কদর বাড়3ছে। তরুণ প্রজন্মের এমন বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্যোগ দেশের মৎস্য শিল্পকে আরও বেশি সমৃদ্ধ ও স্বাবলম্বী করে তুলছে।