ভাঙারির স্তূপে সোনা ফলানো এক মানুষের গল্প
উদ্যোক্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক: ফেলে দেওয়া বা ব্যবহারের অনুপযোগী জিনিসই অনেকের কাছে জঞ্জাল। কিন্তু সেই বর্জ্য বা ভাঙারি জিনিসপত্র যে কারো জীবন পাল্টে দিতে পারে, তার এক জীবন্ত উদাহরণ তৈরি করেছেন এই সফল উদ্যোক্তা। একসময় প্রতিকূল পরিস্থিতি ও পুঁজির অভাবে দিশেহারা থাকা এই মানুষটি আজ ভাঙারি ব্যবসার কল্যাণে সফলতার শিখরে পৌঁছে গেছেন।
মায়ের কাছ থেকে নেওয়া মাত্র ৫,০০০ টাকা পুঁজি দিয়ে শুরু হয়েছিল তার এই লড়াই। পুরোনো ছেঁড়া জুতো, প্লাস্টিক বোতল এবং লোহা-লক্কড় সংগ্রহ করে তা নিখুঁতভাবে প্রক্রিয়াজাত করে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন বড় বাজারে সরবরাহ করতেন তিনি। শুরুর দিকে নানা সামাজিক বাধা ও কটূক্তির মুখোমুখি হতে হলেও তিনি দমে যাননি। বরং সততা ও কঠোর পরিশ্রমকে পুঁজি করে ব্যবসা সম্প্রসারণ করেন। আজকের দিনে তার এই ব্যবসার হাত ধরেই বহু মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।
তার এই সফলতার যাত্রা প্রমাণ করে যে, পরিশ্রম ও সদিচ্ছা থাকলে কোনো পেশাই ছোট নয়। ভাঙারি ব্যবসার মতো লাভজনক ও সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রকে সঠিকভাবে কাজে লাগালে বেকারত্ব দূর করা সম্ভব। শূন্য থেকে শুরু করা এই অদম্য যাত্রার গল্পটি আজ হাজারো তরুণ উদ্যোক্তার জন্য এক বিশাল প্রেরণার উৎস