৮ শতক জমিতে ৩৫ হাজার টাকা খরচে দেড় লাখ টাকা লাভের মুখ দেখছেন নারী কৃষক
কৃষি
নিজস্ব প্রতিবেদক: উচ্চমূল্যের নতুন ফসল ক্যাপসিকাম চাষ করে স্বল্প জমিতেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গাইবান্ধার এক সফল নারী কৃষক। মাত্র ৮ শতক জমি এবং ৩৫ হাজার টাকা খরচ করে মৌসুম শেষে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত নিট লাভের উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি করেছেন তিনি।
তিনি জানান, ৮ শতক জমিতে সুষম বেড ও মালচিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১,০০০টি ‘টাইগার’ জাতের সবুজ ক্যাপসিকামের চারা রোপণ করেছিলেন। প্রতিটি চারা বাবদ খরচ হয়েছিল ৮ টাকা। জমি তৈরি, চারা কেনা, সার ও অন্যান্য পরিচর্যা মিলে মোট খরচ দাঁড়ায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা।
ক্যাপসিকাম আগাম বাজারে তোলায় শুরুতে প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে গড়ে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন তিনি। প্রতি ৫ থেকে ৬টি ক্যাপসিকামে ১ কেজি ওজন পূর্ণ হয়।
তিনি আরও জানান, স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি গাইবান্ধার বাইরের ক্রেতারা অনলাইন অর্ডারের মাধ্যমে তার কাছ থেকে ক্যাপসিকাম ক্রয় করছেন। ঢাকা, বগুড়া ও রংপুরসহ বেশ কয়েকটি জেলা শহরের ফাস্টফুড ও চাইনিজ রেস্টুরেন্টগুলোতে তিনি সরাসরি ক্যাপসিকাম সরবরাহ করছেন।
বিষমুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত ফসল নিশ্চিত করতে তিনি ক্ষতিকর কীটনাশকের বদলে জৈব বালাইনাশক ও বিভিন্ন ফাঁদ ব্যবহার করছেন। মাটির দোআঁশ বৈশিষ্ট্য ধরে রাখতে মালচিং প্রযুক্তি ব্যবহার করায় গাছে রোগবালাইয়ের আক্রমণ কম হয়েছে।
গৃহিণী ও অন্য নারী বোনদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “ঘরে বসে না থেকে যার যতটুকু জমি আছে, সেটাকে কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব। এতে পরিবার, সমাজ ও দেশের উন্নয়ন ঘটে।”
তার এই বিষমুক্ত প্রিমিয়াম ক্যাপসিকাম সংগ্রহ করতে বা সরাসরি বাগান পরিদর্শন করতে যোগাযোগ করা যাবে—দুর্গাপুর তালুকদার বাড়ি (পুরাতন বীজ রোড, পাঁচ জুম্মা এলাকা), গাইবান্ধা। মোবাইল/হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: 01787521516।
