চট্টগ্রাম বন্দরে ৪৩টি জ্বালানিবাহী জাহাজ

জ্বালানি

চট্টগ্রাম বন্দরে ৪৩টি জ্বালানিবাহী জাহাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক | অনলাইন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপর রয়েছে সরকার। গত ৩৬ দিনে চট্টগ্রাম বন্দরে অন্তত ৪৩টি জ্বালানিবাহী জাহাজ এসেছে। বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি তেল সংগ্রহের মাধ্যমে বাংলাদেশ এই সক্ষমতা দেখাচ্ছে বলে বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেল সময় টিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

জাহাজ আসা ও খালাস পরিস্থিতি: চট্টগ্রাম বন্দর সচিব রাফায়েত হামিম নিশ্চিত করেছেন যে, গত ৩১শে মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ৪৩টি জ্বালানিবাহী জাহাজ বন্দরে এসেছে। এর মধ্যে ৩৭টি জাহাজ ইতোমধ্যে তেল ও জ্বালানি খালাস করে বন্দর ত্যাগ করেছে। বর্তমানে ৩৮ নম্বর জাহাজটি খালাস প্রক্রিয়া শেষ করে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরপরই মালয়েশিয়া থেকে আসা নতুন একটি জাহাজ জেটিতে ভিড়বে।

বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ: আগে বাংলাদেশ মূলত কাতার, ওমান, সৌদি আরব বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ওপর জ্বালানির জন্য নির্ভরশীল ছিল। তবে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন বিকল্প দেশ থেকে জ্বালানি তেল ও এলএনজি সংগ্রহ করা হচ্ছে। ডিজেল, অকটেন, ফার্নেস অয়েল এবং লুব্রিকেন্ট জাতীয় ফিনিশ অয়েলগুলো মূলত ডলফিন জেটিতে খালাস করা হচ্ছে।

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খালাস প্রক্রিয়া: বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানিবাহী জাহাজগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খালাস করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। কাস্টম কর্তৃপক্ষও অত্যন্ত দ্রুততার সাথে আমদানিকৃত জ্বালানি খালাস করে বাজারে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে এলপিজি এবং এলএনজি বাহী জাহাজগুলো বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করে তাদের খালাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।

যুদ্ধকালীন এই বিশ্ব সংকটের মাঝেও ৪৩টি জাহাজ থেকে সফলভাবে জ্বালানি সংগ্রহ করা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।