ফুল চাষে লাভের আশার পাশাপাশি নানা অনিশ্চয়তা

কৃষি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সৌন্দর্যের প্রতীক ফুল চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন অনেক উদ্যোক্তা। তবে পরিচর্যার বহুমুখী খরচ, রোগবালাইয়ের আক্রমণ এবং বাজারের দামের মারাত্মক ওঠানামার কারণে ফুল চাষ এখন এক ধরনের চ্যালেঞ্জিং পেশায় রূপ নিয়েছে। সঠিক বাজারব্যবস্থার অভাবে উৎপাদিত ফুল নিয়ে নানা বিপাকে পড়তে হচ্ছে চাষিরা।

উদ্যোক্তারা জানান, প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ শতক জমিতে লাল, হলুদ, সাদা ও গোলাপি রঙের ফুলের চাষ করা হয়েছে,। চারা লাগানোর পর নিয়মিত পানি, সার ও কীটনাশক দিয়ে পরিচর্যা করতে হয়। তবে শীতের সময়ে ভাইরাস আক্রমণ, গাছ ও ফুল পচে যাওয়ার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা দেয়। অতীতে শীত মৌসুমে ভাইরাসজনিত কারণে বাগান নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছিল। কীটনাশক ও পরিচর্যা বাবদ প্রতি মাসে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ হলেও অনেক সময় সেই খরচ তোলাও মুশকিল হয়ে পড়ে।

ফুলের বাজারের চিত্র বেশ পরিবর্তনশীল। কখনো প্রতি পিস ফুল ২ টাকায় বিক্রি হলেও কোনো কোনো সময় তা ১০ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হয়,। তবে বছরের সবচেয়ে ভালো বাজার পাওয়া যায় ১৪ই ফেব্রুয়ারি বা ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে, যখন ফুলের চাহিদা ও দাম উভয়ই বেড়ে যায়।

স্থানীয় পর্যায়ে বড় কোনো ফুলের পাইকারি বাজার বা মার্কেট না থাকায় চাষিদের উৎপাদিত ফুল কার্টুনে ভরে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে হয়। স্থানীয়ভাবে একটি ফুলের বাজার গড়ে উঠলে এবং কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সঠিক পরামর্শ ও সহযোগিতা পাওয়া গেলে ফুল চাষিরা আরও বেশি লাভবান হতে পারত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা,