৫ হাজার টাকায় ৪০ হাজার আয়!
এই ভিডিওতে একজন সফল নারী উদ্যোক্তার মাশরুম চাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার গল্প তুলে ধরা হয়েছে। নিচে তার বক্তব্যের মূল বিষয়গুলো দেওয়া হলো:
শুরু ও সংগ্রাম
এই নারী উদ্যোক্তার শুরুটা ছিল অত্যন্ত কষ্টের। একসময় সন্তানের জন্য ৫ টাকার ঝালমুড়ি কিনে দেওয়ার সামর্থ্যও তার ছিল না [01:06]।
তিনি প্রথমে পার্লারে কাজ করার জন্য নিজের সোনার চেইন বিক্রি করেন। পরবর্তীতে মাশরুম চাষের পুঁজি জোগাতে তার হাতের ব্রেসলেট এবং গলার চেইনও বিক্রি করে দেন [01:28]।
করোনার সময় যখন পার্লারের কাজ বন্ধ হয়ে যায়, তখন ইউটিউব দেখে তিনি মাশরুম চাষের প্রতি আগ্রহী হন [02:53]।
প্রশিক্ষণ ও চাষাবাদ
তিনি সরকারি মাশরুম উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ নেন এবং নিজ গ্রামের কৃষি কর্মকর্তার সহযোগিতায় প্রজেক্ট শুরু করেন [00:41]।
বর্তমানে তার ১২ বাই ২২ ফুটের দুটি ঘরে মাশরুম চাষ হচ্ছে। সেখানে প্রায় ৭০০টি ছোট প্যাকেট এবং ১৫০টি বড় সিলিন্ডার রয়েছে [03:27]।
শুরুতে গ্রামের মানুষ তাকে 'ব্যাঙের ছাতা' বলে বিদ্রূপ করলেও এখন সবাই তাকে 'মাশরুম আপা' বা 'মাশরুম আন্টি' হিসেবে চেনে ও সম্মান করে [02:40]।
আয় ও সম্ভাবনা
তিনি জানান, মাত্র ৫,০০০ টাকা ইনভেস্ট করে এই প্রজেক্ট থেকে প্রায় ৪০,০০০ টাকা আয় করা সম্ভব [00:21]।
তিনি প্রতি কেজি মাশরুম সর্বনিম্ন ৩০০ টাকা দরে বিক্রি করেন। একদিনে ৫ কেজি হারভেস্ট করলে ১৫০০ টাকা আয় হয় [00:26]।
তার উৎপাদিত মাশরুমের চাহিদা রাঙ্গামাটি, উত্তরা এবং ঢাকার বিভিন্ন মাশরুম সেন্টারে রয়েছে [03:44]।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
তিনি ভবিষ্যতে একটি ল্যাব তৈরি করতে চান যেখানে উন্নত মানের বীজ (মাদার কালচার) তৈরি করা হবে [03:52]।
বর্তমানে তার অধীনে ৩০ জন উদ্যোক্তা চাষী কাজ করছেন। তিনি পুরো গ্রামজুড়ে মাশরুম চাষ ছড়িয়ে দিতে চান [03:59]।
পরামর্শ
তিনি মনে করেন, জীবনে সফল হতে হলে ঝুঁকি নিতে হবে এবং থেমে থাকা যাবে না [04:12]।
সাধারণ মানুষ ঘরে বসেও সামান্য যত্নে এবং কেবল পানি স্প্রে করে এই মাশরুম প্যাকেট থেকে ফলন পেতে পারেন [04:18]।
ভিডিওর লিঙ্ক: https://youtu.be/6f9imTSpcek?si=4xdyVmEbw5-Gl0D3



