ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড পেল গাইবান্ধার রিয়াদ
বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও কারিগরি খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ পেয়েছেন গাইবান্ধার রিয়াদ হোসেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রিয়াদের হাতে এ অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও কারিগরি খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ পেয়েছেন গাইবান্ধার রিয়াদ হোসেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রিয়াদের হাতে এ অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ ও অনুদান প্রদান’ অনুষ্ঠানে রিয়াদসহ দেশের স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ জন যুব স্বেচ্ছাসেবক ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধির হাতে ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে এক লাখ টাকার চেক, সম্মাননা স্মারক ও সনদ দেওয়া হয়। এ ছাড়া যুব সংগঠনগুলোর কার্যক্রম গতিশীল করতে দেশের ৪৩২টি যুব সংগঠনকে দুই লাখ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়।
রিয়াদ হোসেন গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার তালুকজামিরা গ্রামের সেলিম ব্যাপারীর ছেলে।
আয়োজকরা জানান, প্রান্তিক পর্যয়ে প্রযুক্তি শিক্ষাকে সহজলভ্য করার মাধ্যমে তরুণদের স্বাবলম্বী করে ভোলার এক অনন্য কারিগর মো. রিয়াদ হোসেন। গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে জন্য নেওয়া রিয়াদ অনুধাবন করেন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার জানলে একটি সাধারণ স্মার্টফোনও হতে পারে উপার্জনের হাতিয়ার। এই ভাবনা থেকেই ২০১৯ সালে তিনি শুরু করেন 'মোবাইল ফার্স্ট ফ্রিল্যান্সিং" নামক এক যুগান্তকারী উদ্যোগ। এর মাধ্যমে তিনি মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবাবের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশনসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষন দিচ্ছেন।
গত সাত বছরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ৫,০০০-এর বেশি শিক্ষার্থীকে তিনি সরাসরি প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা ও দিকনির্দেশনায় ১.৭০০-এর বেশি তরুণ-তরুণী ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়মিত আয় করে আত্মনির্ভরশীল হচ্ছেন। প্রথাগত শিক্ষার বাইরে গিয়ে তাঁর এই 'সার্ন অ্যান্ড আর্ন মডেল স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে।
রিয়াদের এই উদ্যোগ কেবল বেকারত্বই দূর করছে না, বরং ডিজিটাল বৈষম্য কমিয়ে প্রান্তিক জনপদকে মূলধারার অর্থনীতির সাথে যুক্ত করছে। নিজ এলাকার মানুষের জন্য তাঁর এই নিরলস পরিশ্রম আগামী প্রজন্যের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।