কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে সমতলে মালটার বাম্পার ফলন
উদ্যোক্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক: পেশাগত জীবনের বাঁধা-ধরা নিয়ম আর কর্পোরেট চাকরির মোহ ত্যাগ করে নিজের জন্মভূমিতেই এক সবুজ স্বপ্নের জন্ম দিয়েছেন গোলাম কিবরিয়া। একসময় দেশের একটি প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানে সুনির্দিষ্ট বেতনে চাকরি করতেন তিনি। কিন্তু মাটির টানে ও স্বাধীনভাবে কিছু করার ইচ্ছায় চাকরি ছেড়ে হয়ে উঠেছেন একজন সফল কৃষি উদ্যোক্তা। সমতলের মাটিতে বিষমুক্ত ও রসালো মালটা এবং ড্রাগন ফল চাষ করে সাড়াজাগানো সাফল্য পেয়েছেন তিনি।
গাইবান্ধা জেলার নিভৃত নাগবাড়ি গ্রামে গড়ে উঠেছে গোলাম কিবরিয়ার এই ফলের বাগান। চাকরিজীবনের সুনির্দিষ্ট গণ্ডি পেরিয়ে নিজের হাতে কিছু গড়ার তাগিদ থেকেই তিনি পুরোদস্তুর কৃষিকাজে যুক্ত হন,।
বর্তমানে প্রায় তিন বিঘা জমির ওপর বিস্তার লাভ করেছে তার এই বাগান। সবুজ পাতার আড়ালে থোকায় থোকায় ঝুলে আছে চোখ জুড়ানো চায়না ও ভিয়েতনামী জাতের রসালো মালটা,। বাগানে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে প্রায় চার শতাধিক মালটা গাছ রয়েছে, পাশাপাশি রয়েছে ড্রাগন ফলের চাষও,।
সম্পূর্ণ কেমিক্যালমুক্ত ও তাজা হওয়ায় বাজারে কিবরিয়ার বাগানের ফলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। স্থানীয় বাজার ছাড়াও বিভিন্ন জেলা থেকে বেপারি ও সাধারণ ক্রেতারা আসছেন এই ফল সংগ্রহ করতে।
প্রথাগত শস্যের বাইরে গিয়ে সমতলে বিষমুক্ত মালটার বাম্পার ফলন ঘটিয়ে গোলাম কিবরিয়া প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরিকল্পনা ও পরিশ্রম থাকলে কৃষিতেও বড় ধরনের সফলতা অর্জন করা সম্ভব। তার এমন সাফল্য দেখে এলাকার অনেক তরুণ ও নতুন উদ্যোক্তারাও এখন আধুনিক ফল চাষের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন।
